চট্টগ্রামে সাফল্যের শীর্ষে ক্যামব্রিয়ান কলেজ

জাফর আলম:বিএসবি ফাউন্ডেশন কর্তৃক পরিচালিত ক্যামব্রিয়ান কলেজের ধারাবাহিক সাফল্যের অন্যতম দিক হল অপেক্ষাকৃত কম জিপিএ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের নিয়ে রেকর্ড সংখ্যক জিপিএ ৫.০০ প্রাপ্তি নিশ্চিতকরণ। সাধারণত এসএসসিতে জিপিএ-৫ প্রাপ্তদের নিয়ে সবার ভাবনা এবং পরিকল্পনা থাকলেও ক্যামব্রিয়ানের ভাবনা কিন্তু সকলকে নিয়ে। অর্থাৎ যারা জিপিএ-৫ নিচের গ্রেডে পাস করেছে তাদের যথার্থ ও সঠিক পরিচর্যার মাধ্যমে এইচএসসিতে জিপিএ-৫ এ উন্নীত করা। বিএসবি ফাউন্ডেশন ও ক্যামব্রিয়ান এডুকেশন গ্রুপ পিছিয়ে পড়া এই শিক্ষার্থীদের এগিয়ে নিয়ে যেতে চায়। যে লক্ষ্যে তারা শিক্ষার্থীদের সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ার নিমিত্তে ও তাদের লেখাপড়ায় উৎসাহিত করতে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের নিয়ে আয়োজন করে সংবর্ধনা সভার।

ঢাকাসহ সারা দেশে অব্যাহত ধারাবাহিক সাফল্যের অংশ হিসেবে চট্টগ্রামে প্রথম শিক্ষা বছরেই চমক সৃষ্টি করেছে ক্যামব্রিয়ান কলেজ। চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডের অধীনে প্রথম বারের মত চট্টগ্রাম ক্যামব্রিয়ান কলেজের শিক্ষার্থীরা এইচএসসি-২০১৬ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। প্রথম বছরেই সর্বাধিক শিক্ষার্থী নিয়ে শতভাগ পাসের ভিত্তিতে প্রথম স্থান এবং শতকরা জিপিএ- ৫ প্রাপ্তির ভিত্তিতে ৩য় স্থান দখল করেছে কলেজটি।

প্রথম বছরেই ক্যামব্রিয়ানের সাফল্যে অর্জন প্রসংগে ক্যামব্রিয়ান এডুকেশন গ্রুফের চেয়ারম্যান লায়ন এম.কে. বাশার পিএমজেএফ বলেন-চট্টগ্রামে ক্যামব্রিয়ান কলেজের এই অর্জন সারাদেশে অব্যাহত সাফল্যের প্রতিফলন। তিনি আরও বলেন- কলেজের নিজস্ব পাঠদান পদ্ধতি সঠিকভাবে বাস্তবায়ন ও আমাদের শিক্ষকদের নিবিড় পরিচর্চা এবং শিক্ষার্থীদের পরিশ্রম আন্তরিক পরিশ্রম এই সাফল্যের প্রধান কারণ। সেই সঙ্গে আমাদের সম্মানিত অভিভাবকদের আন্তরিক সহযোগিতাও স্মরণযোগ্য। আমার বিশ্বাস, আগামিতেও ক্যামব্রিয়ান কলেজ সাফল্যের পথ বেয়ে বহুদূর এগিয়ে যাবে।

সহশিক্ষা কার্যক্রমে চট্টগ্রাম ক্যামব্রিয়ান কলেজের সফলতাঃ  রসায়ন অলিম্পিয়াড- ২০১৬ এ চট্টগ্রাম বিভাগের ২৩৪ টি কলেজ-কে পেছনে পেলে চট্টগ্রাম ক্যামব্রিয়ানের কলেজের বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী মোঃ তাকসির আহমেদ প্রথম স্থান অর্জন করে। এছাড়াও গত ২০১৫ সালে প্রথম আলো- কনফিডেন্স সিমেন্ট আয়োজিত বিতর্ক প্রতিযোগিতায় চট্টগ্রাম ক্যামব্রিয়ান কলেজ রানার্স আপ হয়েছিল। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রতীকি জাতিসংঘ-২০১৬ তে চট্টগ্রাম ক্যামব্রিয়ান কলেজের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করে সাফল্যের স্বাক্ষর রেখেছিল। প্রিন্সিপাল জনাব লায়ন মাহবুব হাসান লিংকন বলেন- আমরা ফলাফলে বিশ্বাসী। চট্টগ্রামে শুরু থেকেই সম্মানিত অভিভাবকরা ক্যামব্রিয়ানের উপর আস্থাশীল ছিলেন। আমি সবচেয়ে বেশি খুশি হয়েছি এই জন্য যে, আমরা সম্মানিত অভিভাবকদের আস্থার মর্যাদা রাখতে পেরেছি। আর ক্যামব্রিয়ানের এই সাফল্যের নেপথ্যে কাজ করার বিষয়ে আমাদের সম্মানিত চেয়ারম্যান মহোদয়ের সাথে আমি সহমত প্রকাশ করেই বলব যে, আমাদের শিক্ষার্থীদের অধ্যবসায়, শিক্ষকদের আন্তরিক পাঠদান,অভিভাবকদের সহযোগিতাপূর্ণ মনোভাব, দক্ষ ম্যানেজমেন্ট ইত্যাদি। একটি বিষয় আমি উল্লেখ করব সেটি হল আমাদের সুপাভাইজরি স্টাডি প্রোগ্রাম (এসএসপি) যেটি শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ সহায়ক। শিক্ষার্থীদের কোন বিষয়ে দুর্বলতা থাকলে তা কাটিয়ে তোলার মানসে কলেজ ছুটির পর সম্মানিত শিক্ষকদের সমন্বয়ে এসএসপি পরিচালিত হয়। যা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে আমাদের শিক্ষার্থীদের জন্য ব্যবস্থা রেখেছি। যা ক্যামব্রিয়ানের একক বৈশিষ্ঠ্য। এছাড়াও আমাদের রয়েছে বিশেষ ট্টেনিং প্রাপ্ত অভিজ্ঞ শিক্ষকম-লী। শিক্ষা ক্ষেত্রে মান উন্নয়নের পাশাপাশি প্রতিবছর কলেজটির ঈষনীয় সাফল্যের হার পৌণপোণিকভাবেই বেড়েই চলেছে। গত ২০১৪ সালে বন্দর নগরী চট্টগ্রামে ক্যামব্রিয়ান কলেজ যাত্রা শুরু করে।
২০১৪- ২০১৫ শিক্ষাবর্ষে সর্বমোট ১২৫ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে ।

তন্মধ্যে, ৪০ জন শিক্ষার্থী এ+, এবং বাকি ৮৫ জন শিক্ষার্থীই এ গ্রেড পেয়েছে। আধুনিক প্রযুক্তি নির্ভর শিক্ষা বিস্তারের লক্ষ্যে সারা দেশে ক্যামব্রিয়ান কলেজ প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।

বিএসবি ফাউন্ডেশন কর্তৃক পরিচালিত ক্যামব্রিয়ান এডুকেশন গ্রুপ সরকার কর্তৃক প্রণীত ২০১০ সালের জাতীয় শিক্ষানীতির আলোকে দেশে একটি সর্বাধুনিক প্রযুক্তি নির্ভর মানসম্মত শিক্ষা বাস্তবায়নে কাজ করে আসছে। এ লক্ষ্যে ক্যামব্রিয়ান অ্যাডুকেশন গ্রুপ রাজধানী ঢাকায় একদশক আগে প্রতিষ্ঠা করে ক্যামব্রিয়ান কলেজ। প্রতিষ্ঠার একবছর পর ২০০৮ সালেই এ কলেজটি এইচএসসি ফলাফলে ঢাকা বোর্ডের মেধা তালিকায় ২য় স্থান দখল করে দেশব্যাপী আলোড়ন সৃষ্টি করে। এরপর এ প্রতিষ্ঠানটিকে আর পিছে ফিরে তাকাতে হয়নি।

২০১৬ সালের এইচএসসি- তে চট্টগ্রামে প্রথম শিক্ষা বছরেই সর্বাধিক শিক্ষার্থী নিয়ে শতভাগ পাসের ভিত্তিতে প্রথম স্থান এবং শতকরা জিপিএ ৫ প্রাপ্তির ভিত্তিতে ৩য় স্থান দখল করেছে কলেজটি।

২০১৫ সালে কলেজটি থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছিল ৯৮৬ জন পরীক্ষার্থী। এর মধ্যে এসএসসি তে জিপিএ ৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থী ছিল ২৯৭ জন যা মোট শিক্ষার্থীর ৩৭%। এইচএসসি’র ফলাফলে জিপিএ ৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা এসে দাঁড়ায় ৬৮৯-এ। যা মোট পরীক্ষার্থীর ৭০%। বিগত সালের এই চিত্র বাংলাদেশে ডিজিটাল ও আধুনিক মানসম্মত শিক্ষা ব্যবস্থার প্রবর্তনের পথিকৃত ক্যামব্রিয়ানের।

ক্যামব্রিয়ানে রয়েছেন শিক্ষার্থীদের মেধাবিকাশ ও শিক্ষায় তথ্য ও প্রযুক্তির ব্যবহারে দক্ষ এবং ডিজিটাল কন্টেন্ট ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামে বিশেষ ট্টেনিংপ্রাপ্ত মাস্টার ট্টেইনার শিক্ষকবৃন্দ। নেতৃত্বে রয়েছেন ঢাকা শিক্ষাবোর্ডের প্রধান পরীক্ষক এবং সৃজনশীল প্রশ্নপত্র বিষয়ক মাস্টার ট্টেইনার, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে রসায়ন বিষয়ের লেখক অধ্যক্ষ লায়ন মাহবুব হাসান লিংকন।

বিএসবি ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান লায়ন এম.কে. বাশার, পিএমজেএফ চট্টগ্রামে কলেজ স্থাপনের উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করে বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্নপূরণে প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষাব্যবস্থার যে ধারা ক্যামব্রিয়ান শুরু করেছে, তা সারা দেশব্যাপী ছড়িয়ে দেয়ার লক্ষ্যে ২য় ক্যাম্পাস প্রতিষ্ঠার জন্য চট্টগ্রামকেই বেছে নেয়া হয়েছে। তাঁর মতে, আধুনিক ও যুগোপযোগী চিন্তার মনস্কধারায় বাণিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রামে আন্তর্জাতিক মানের এ প্রতিষ্ঠানে রয়েছে আধুনিক শিক্ষার সর্বোত্তম ব্যবস্থা। একটি অনুকরণীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় জানিয়ে ক্যামব্রিয়ান কলেজের পরিচালনা বোর্ডের শীর্ষ এ ব্যক্তি জানান, শিক্ষার মধ্যে জীবনের প্রতিচ্ছবি খুঁজতে হবে, প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে বিশ্বায়নের সাথে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যাওয়ার জন্য গড়ে তুলতে হবে। ক্যামব্রিয়ানকে একটি অনুকরণীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার প্রত্যয় জানিয়ে ক্যামব্রিয়ান কলেজের প্রতিষ্ঠাতা ও বিএসবি ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শিক্ষাবিদ লায়ন এম.কে. বাশার পিএমজেএফ বলেন, তরুণ প্রজন্মকে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা দিতে হবে। দেশের তরুণ প্রজন্মকে বিশ্বমানের আধুনিক, মানসম্মত ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা নিশ্চিত করতে শিক্ষা উদ্যোক্তাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

ক্যামব্রিয়ানের শিক্ষার্থীদের সফলতার গল্পঃ  মোঃ আল রিয়াদ ব্যবসা শিক্ষা বিভাগ থেকে এসএসসি-২০১৪ তে জিপিএ ৪.৩৮ এবং শিববীর আহমেদ , বিজ্ঞান বিভাগ থেকে জিপিএ ৪.৫৬ নিয়ে ক্যামব্রিয়ান কলেজে ভর্তি হয়। সরকারী কলেজে ভর্তি হতে না পারার আক্ষেপ নিয়ে তারা ক্যামব্রিয়ান কলেজ চট্টগ্রামে ভর্তি হয়। তারা চট্টগ্রাম ক্যামব্রিয়ান কলেজের প্রথম ব্যাচের শিক্ষার্থী। এইচএসসি ২০১৬ তে তারা দুজনই জিপিএ ৫.০০ পেয়েছে। তারা জানায়, ক্যামব্রিয়ানের পড়ালেখার সুষ্ঠু পরিবেশ এবং সম্মানিত শিক্ষকদের আন্তরিক সহযোগিতার কারণে তাদের প্রত্যাশিত জিপিএ-৫ পেয়েছে। সে জন্য তারা ক্যামব্রিয়ানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে ।

এসএসসি তে কম জিপিএ প্রাপ্ত কিন্তু ২০১৬ সালে এইচ এস সি তে জিপিএ ৫.০০ উন্নতিকরনে চট্টগ্রাম ক্যামব্রিয়ান কলেজের কয়েকজন শিক্ষার্থীর সাফল্যের চিত্র তুলে ধরা হল : মোঃ আল রিয়াদ ব্যবসা শিক্ষা বিভাগ থেকে ৫১৬২৫৮ বোর্ড রোল নিয়ে এসএসসি-তে ৪.৩৮ আর এইচএসসি-তে পায় ৫.০০।শিববীর আহমেদ বিজ্ঞান বিভাগ থেকে ১০৮২৪৩ বোর্ড রোল নিয়ে এসএসসি-তে ৪.৫৬ আর এইচএসসি-তে পায় ৫.০০।

চট্টগ্রামে দুরন্ত ক্যামব্রিয়ানের পথচলা: ২০১৪ সাল থেকেই চট্টগ্রামে ক্যামব্রিয়ানের পথচলা শুরু হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ড কর্তৃক অনুমোদিত চট্টগ্রাম হালিশহরে রয়েছে ডিজিটাল ও আধুনিক শিক্ষার সুযোগ সম্মিলিত সুবিশাল ক্যাম্পাস। ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্ন পুরণে প্রযুক্তি নির্ভর শিক্ষা ব্যবস্থার আধুনিক দ্বার উম্মোচনের মাধ্যমে ঢাকার গন্ডি ছাড়িয়ে ক্যামব্রিয়ান কলেজ এখন বাণিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রামে। গত শিক্ষা বছর (২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষ) থেকে একাদশ শ্রেণি’তে শিক্ষার্থী ভর্তির মাধ্যমে বাণিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রামের হালিশহর ক্যাম্পাসে যাত্রা শুরু করে। সারা দেশের ন্যায় বন্দর নগরী চট্টগ্রামেও ক্যামব্রিয়ান কলেজ আস্থার শীর্ষে। চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডের অধীনে এ বছর ক্যামব্রিয়ান কলেজ চট্টগ্রাম হতে ১২৫ জন শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষা -২০১৬ তে অংশগ্রহণ করেছে । ২০১৬ সালের এইচএসসি- তে চট্টগ্রামে প্রথম শিক্ষা বছরেই সর্বাধিক শিক্ষার্থী নিয়ে শতভাগ পাসের ভিত্তিতে প্রথম স্থান এবং শতকরা জিপিএ ৫ প্রাপ্তির ভিত্তিতে ৩য় স্থান দখল করেছে কলেজটি।

চট্টগ্রাম ক্যামব্রিয়ান কলেজে ২০১৬-২০১৭ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি কার্যক্রমঃ শীঘ্রই চট্টগ্রাম ক্যামব্রিয়ান কলেজে এ বছরে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি কার্যক্রম শুরু হবে। এবার বিজ্ঞান বিভাগে এসএসসি-তে জিপিএ ৪.০০ এবং ব্যবসা শিক্ষা বিভাগে জিপিএ ৪.০০ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির সুযোগ পাবে।

অপেক্ষাকৃত দুর্বল শিক্ষার্থীদের জন্য ক্যামব্রিয়ানের বিশেষ ব্যবস্থা : দুর্বল শিক্ষার্থীদের সবল করাই ক্যামব্রিয়ানের লক্ষ্য। বিকেল ৫ টায় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে তালা ঝুললেও ক্যামব্রিয়ানের ক্যাম্পাস তখনও সরব, লাইব্রেরীতে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ও শ্রেণিকক্ষে কিছু শিক্ষার্থীদের আলাদা করে পাঠদান লক্ষ্যনীয়। এই বিষয়ে ক্যামব্রিয়ান কলেজ হালিশহর ক্যাম্পাসের অধ্যক্ষ লায়ন মাহবুব হাসান লিংকন জানান- ঢাকা ও চট্টগ্রাম সহ সারা দেশের ক্যামব্রিয়ানের এটি একটি সাধারণ চিত্র। কারণ প্রতিবছর অপেক্ষাকৃত অনেক দুর্বল শিক্ষার্থী ক্যামব্রিয়ানে আস্থা রেখেই ভর্তি হয়, আর তাদের এই আস্থার প্রতিফলন ঘটাতে এবং তাদের মধ্যে প্রতিযোগিতাপূর্ণ মনোভাব সৃষ্টির মানসে যা যা করা দরকার আমরা তা তা করি।

দুর্বলদের জন্য আলাদা কাউন্সিলিং এর ব্যবস্থা এবং সার্বিকভাবে পরিণত করে তোলাই আমরা দায়িত্ব হিসেবে নিয়েছি। আর তাদের সাফল্যে যদি একটি পরিবারে হাঁসি ফুটে তবেই আমাদের এ সকল শ্রমের সার্থকতা।

বিএসবি ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান লায়ন এম.কে. বাশার, পিএমজেএফ চট্টগ্রামে কলেজ স্থাপনের উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করে বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্নপূরণে প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষাব্যবস্থার যে ধারা ক্যামব্রিয়ান শুরু করেছে, তা সারা দেশব্যাপী ছড়িয়ে দেয়ার লক্ষ্যে ২য় ক্যাম্পাস প্রতিষ্ঠার জন্য চট্টগ্রামকেই বেছে নেয়া হয়েছে। তাঁর মতে, আধুনিক ও যুগোপযোগী চিন্তার মনস্কধারায় বাণিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রামে আন্তর্জাতিক মানের এ প্রতিষ্ঠানে রয়েছে আধুনিক শিক্ষার সর্বোত্তম ব্যবস্থা। একটি অনুকরণীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় জানিয়ে ক্যামব্রিয়ান কলেজের পরিচালনা বোর্ডের শীর্ষ এ ব্যক্তি জানান, শিক্ষার মধ্যে জীবনের প্রতিচ্ছবি খুঁজতে হবে, প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে বিশ্বায়নের সাথে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যাওয়ার জন্য গড়ে তুলতে হবে।

ক্যামব্রিয়ানকে একটি অনুকরণীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার প্রত্যয় জানিয়ে ক্যামব্রিয়ান কলেজের প্রতিষ্ঠাতা ও বিএসবি ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শিক্ষাবিদ লায়ন এম.কে. বাশার পিএমজেএফ বলেন, তরুণ প্রজন্মকে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা দিতে হবে। দেশের তরুণ প্রজন্মকে বিশ্বমানের আধুনিক, মানসম্মত ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা নিশ্চিত করতে শিক্ষা উদ্যোক্তাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

%d bloggers like this: