মিতু হত্যায় ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধার মামলায় আরো ২ জনের স্বাক্ষ্য গ্রহণ

ডেস্ক: চাকুরীচ্যূত সাবেক এসপি বাবুল আক্তারের সহধর্মিনী মাহমুদা আক্তার মিতু হত্যায় ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধার মামলায় গোয়েন্দা পুলিশের এক কর্মকর্তাসহ ২ জনের স্বাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ মো. শাহে নূরের আদালতে এ স্বাক্ষ্য গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এসময় আদালতে স্বাক্ষ্য দেন ডিবি’র এসআই মোস্তাক আহমদ ও অস্ত্র উদ্ধারে প্রত্যক্ষ্যদর্শী পথচারী জাফর আহমেদ।

চাঞ্চল্যকর এ হত্যা মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মহানগর পিপি ফখরুদ্দিন চৌধুরী স্বাক্ষ্য গ্রহণের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আজ দুজনের স্বাক্ষ্য গ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। আদালত আগামী ২২ আগষ্ট পরবর্তী স্বাক্ষ্য গ্রহণের সময় নির্ধারণ করেছেন। এর আগে গত ২৭ মার্চ মামলার বাদি নগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত উপ কমিশনার (উত্তর) মো.কামরুজ্জামানের সাক্ষ্য সম্পন্ন হয়।

আদালত সুত্রে জানাগেছে, দুই স্বাক্ষী আদালতকে বলেছেন, এই মামলার আসামি এহতেশামুল হক ভোলার দেখানো মতে অপর আসামি মনিরের বাসা থেকে অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করা হয়।

উল্লেখ্য গত বছরের ৫ জুন সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ছেলেকে স্কুলবাসে তুলে দিতে যাওয়ার পথে নগরীর ওআর নিজাম রোডে (জিইসির কাছে) মিতুকে দুর্বৃত্তরা গুলি করে ও কুপিয়ে হত্যা করে পালিয়ে যায়।

এ ঘটনায় ২৮ জুন হত্যাকাণ্ডে ব্যবহার করা দুটি অস্ত্র’ ও বেশ কয়েকটি গুলিসহ (পয়েন্ট ৩২ বোরের দেশি রিভলবার ও ৭ দশমিক ৬৫ বোরের পিস্তল) স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা এহতেশামুল হক ভোলা ও রিক্সা চালক মনির হোসেন নামে দুইজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে বাকলিয়া থানায় তাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে ওই মামলা করা হয়।

অস্ত্র উদ্ধার মামলায় গত ২৮ জুলাই ভোলা ও মনিরের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশীট দাখিল করে দেন অস্ত্র মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মহিম উদ্দিন। পরে ২২ নভেম্বর দুইজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে ১৮ জানুয়ারি থেকে বিচার শুরুর নির্দেশ দেন আদালত।

এদিকে মিতু হত্যার কোন ক্লু উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ। এ হত্যাকাণ্ডের ১৩ মাসেও অভিযোগপত্র জমা দিতে পারে নি গোয়েন্দা পুলিশ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

%d bloggers like this: